Pathikar ranna
Sananda fashion

নানা ধরনের শাকের রেসিপি
বাঙালি হেঁশেল মানেই প্রতিদিনের তালিকায় শাকের স্থান সুনির্দিষ্ট! যেমন উপকারী, তেমনই তার স্বাদের বাহার। নানা ধরনের শাকের রেসিপি শেখালেন
নমিতা সাহা

g

বড়ি-বেগুন দিয়ে কুমড়োশাক

উপকরণ: কুমড়োশাক ৪ কাপ (ডাঁটাসহ কুচানো), বেগুন (ছোট টুকরো করে কাটা) ১ কাপ, বড়ি ১ কাপ, নুন স্বাদ অনুযায়ী, কাঁচালঙ্কা ২-৩ টে, হলুদগুঁড়ো ১ চিমটে, সরষের তেল ৩ টেবলচামচ, গোটা শুকনোলঙ্কা ১ টা, আদাকুচি ১ চা-চামচ।

প্রণালী: কুচিয়ে রাখা কুমড়োশাক ভালভাবে ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন। কড়াইতে সরষের তেল গরম করে বড়ি এবং বেগুনের টুকরো আলাদা আলাদাভাবে ভেজে তুলে রাখুন। কড়াইতে আরও খানিকটা সরষের তেল গরম করে গোটা শুকনোলঙ্কা ও আদাকুচি দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। এতে শাক দিয়ে স্বাদমতো নুন, হলুদগুঁড়ো এবং চেরা কাঁচালঙ্কা মিশিয়ে নিন। ঢাকা দিয়ে মজতে দিন। শাক মজে এলে ঢাকা খুলে ভেজে রাখা বড়ি ও বেগুনের টুকরো মিশিয়ে নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিন।

কচুপাতায় চিংড়িভাপা

উপকরণ: কচি কচুপাতা ৫টা, চিংড়ি ২৫০ গ্রাম, সরষেবাটা ১ চা-চামচ, পোস্তবাটা ১ চা-চামচ, সরষের তেল ২ টেবলচামচ, নুন স্বাদমতো, কাঁচালঙ্কা ৫টা, শুকনোলঙ্কাগুঁড়ো ১/২ চা-চামচ, হলুদগুঁড়ো ১/২ চা-চামচ, টুথপিক কয়েকটা।

প্রণালী: গোটা কচুপাতা ঈষদুষ্ণ জলে বেশ খানিকক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। চিংড়িগুলো পরিষ্কার করে ধুয়ে তাতে সরষেবাটা, পোস্তবাটা, স্বাদমতো নুন, শুকনোলঙ্কাগুঁড়ো, সামান্য কাঁচা সরষের তেল, হলুদগুঁড়ো দিয়ে ভালভাবে মেখে নিন। কচুপাতার মধ্যে খানিকটা চিংড়ির মিশ্রণ রেখে উপরে একটা করে চেরা কাঁচালঙ্কা ও সামান্য সরষের তেল ছড়িয়ে ভালভাবে মুড়ে নিন। টুথপিক গেঁথে নিন যাতে পাতা খুলে না যায়। আভেনে স্টিমার বসান। এতে কচুপাতাগুলো রেখে ১৫ মিনিট ভাপিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।

মটর ডালে লাউশাক

উপকরণ: মটর ডাল ১/২ কাপ, কচি লাউপাতা ১০-১২টা, কাঁচালঙ্কা ২-৩টে, শুকনোলঙ্কাগুঁড়ো ১/২ চা-চামচ, নুন ও চিনি স্বাদমতো, গোটা শুকনোলঙ্কা ২টো, তেজপাতা ১টা, হলুদ ১/২ চা-চামচ, সরষের তেল ২ টেবলচামচ।

প্রণালী: লাউপাতা খানিকক্ষণ নুনজলে ভিজিয়ে রেখে কুচিয়ে নিন। মটর ডাল আগে থেকে সিদ্ধ করে রাখুন। কড়াইতে এই সিদ্ধ ডাল দিয়ে তাতে লাউপাতাকুচি মেশান। স্বাদমতো নুন ও চিনি মিশিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে নিন। এক চিমটে হলুদগুঁড়ো এবং চেরা কাঁচালঙ্কা দিন। সামান্য শুকনোলঙ্কাগুঁড়ো মিশিয়ে মিশ্রণ আঠা-আঠা হওয়া অবধি নাড়াচাড়া করুন। মিশ্রণ একটি পাত্রে নামিয়ে নিন। কড়াইতে অল্প সরষের তেল গরম বসান। এতে শুকনোলঙ্কা ও তেজপাতা ফোড়ন দিন। সুগন্ধ বেরলে এতে শাকের মিশ্রণ দিয়ে নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিন।

ডাঁটাশাকের পাতাবাটা

উপকরণ: ডাঁটাশাকের পাতাকুচি ৪ কাপ, পোনামাছের টুকরো ২ টো (গাদার অংশ হলে ভাল), লঙ্কাগুঁড়ো ১ চা-চামচ, ধনেগুঁড়ো ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ টেবলচামচ, হলুদ ১ চিমটে, নুন স্বাদ অনুযায়ী, সরষের তেল ৫ টেবলচামচ।

প্রণালী: কুচানো ডাঁটাশাকের পাতা ভালভাবে ধুয়ে রাখুন। মিক্সারে এই কুচানো পাতা দিয়ে বেটে নিন। পোনামাছ কাঁটা ছাড়িয়ে রাখুন। কড়াইতে তেল গরম করে পোনামাছের টুকরো দিয়ে ঝুরোঝুরো করে ভেজে নামিয়ে নিন। কড়াইতে আবারও খানিকটা তেল গরম করে রসুনবাটা দিন। তৈরি করে রাখা পাতাবাটার সঙ্গে স্বাদমতো নুন, চিনি, লঙ্কাগুঁড়ো এবং ধনেগুঁড়ো মিশিয়ে রাখুন। রসুনবাটা কষানো হলে এতে পাতাবাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। মিশ্রণ শুকনো হয়ে এলে ঝুরো মাছভাজা মিশিয়ে নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিন।

travel
facebook
facebook